Posts

Showing posts with the label Jarifurrahim

বিশ্বের শীর্ষ খেলা ও খেলোয়াড়

Image
"বিশ্বের শীর্ষ খেলা গুলোর খেলোয়াড়দের তালিকা নিয়ে কি কখনো আপনার চিন্তা হয়েছে? আসুন, জানা যাক কেন এ প্রশ্নটা গুরুত্বপূর্ণ!" ● বর্তমান বিশ্বের সেরা ১০০ খেলোয়াড়দের মধ্যে কতজন মুসলিম খেলোয়াড়কে চিহ্নিত করা সম্ভব?  – আপনি হয়তো অনেক মুসলিম খেলোয়াড়ের নাম তুলে ধরতে পারবেন। কিন্তু একই প্রশ্ন যদি আপনি ইহুদি খেলোয়াড়দের বিষয়ে করেন, আপনি অবাক হয়ে দেখতে পাবেন, তারা খেলাধুলায় বিশেষ কোন জায়গা দখল করে নেননি। একমাত্র দাবা এবং অলিম্পিক খেলা ছাড়া ইহুদি খেলোয়াড়দের তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য স্থান পাওয়া যায় না। এদিকে, যদি আমরা বিজ্ঞান ও গবেষণার দিকে চোখ রাখি, তাহলে চিত্রটা ভিন্ন। বিশ্বের সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর মধ্যে ৫০ শতাংশেরও বেশি ইহুদি/ খ্রিষ্টান । তবে, মুসলিম বিজ্ঞানী এবং আবিষ্কারকদের তালিকায় এমন বিশাল উপস্থিতি দেখা যায় না। গত পাঁচ শতকের ইতিহাসে যদি কিছু মুসলিম বিজ্ঞানীর নাম পাওয়া যায়, তবে তারা সেরা ১০০ তে জায়গা পাওয়া দুষ্কর। ● এটা কি আমাদের শিক্ষা আমাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন জায়গায় না!? আমরা কোথায় যাচ্ছি? একসময়, যখন মুসলিম বিশ্ব তাজমহল এবং লালবাগ কেল্লার মত অসাধারণ স্থাপত্য তৈরি করাই...

শবে কদর কবে, কখন আর কি করতে হবে সেই দিন?

Image
  ● শবে কদর || আল্লাহর রহমতের রাত — শবে কদর বা "কদরের রাত্রি" মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি রাত, যা রমজান মাসের শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতগুলির মধ্যে একটি বিশেষ রাত হিসেবে পরিচিত। আল্লাহ তাআলা এই রাতের মাধ্যমে তাঁর বান্দাদের প্রতি এক অসীম রহমত বর্ষণ করেন, আর তাদের গুনাহ মাফ করেন। ● শবে কদরের শব্দের অর্থ — কদর শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো ‘মর্যাদা’, ‘গৌরব’, বা ‘শ্রেষ্ঠত্ব’। শবে কদর অর্থ, এমন একটি রাত, যা অন্যান্য রাতের তুলনায় অনেক গুণ বেশি "শ্রেষ্ঠ" এবং যে রাতে আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয়। ● শবে কদর: ঐতিহাসিক পটভূমি — শবে কদর এমন একটি রাত, যেটি পবিত্র কোরআন নাযিলের সাথে সম্পর্কিত। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনকে একসঙ্গে আরশ থেকে প্রথম আসমানে এই লায়লাতুল কদরে অবতীর্ণ করেন। এরপর ধাপে ধাপে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে প্রথম আসমান থেকে পৃথিবীর জমিনে কোরআনুল কারীম নাযিল করেন। – Subḥān Allāh  ○ আল্লাহ তাআলা বলেছেন:   “শবে কদর হাজার মাসের চেয়ে উত্তম।” (সূরা আল-কদর, আয়াত 3) এতে স্পষ্টভাবেই ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, শবে কদরের রাতে ইবাদত করা হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও বেশি শ্রেষ্ঠ। ● শবে কদ...

♠︎ ইসলামের দৃষ্টিতে আলেম

Image
》ইসলামের দৃষ্টিতে আলেম হওয়ার সংজ্ঞা-বৈশিষ্ট্য ও শর্তাবলী: কুরআন এবং হাদিসের দৃষ্টিতে আলেম:~ "আলেম" শব্দটি মূলত আসে আরবি "ইলম" (জ্ঞান) শব্দ থেকে, যার অর্থ জ্ঞান অর্জনকারী। ইসলামের দৃষ্টিতে আলেম হলেন সেই ব্যক্তি যিনি আল্লাহর দ্বীনের সঠিক জ্ঞান রাখেন, বুঝতে পারেন, এবং সেই অনুযায়ী কাজ করেন ও অন্যদের শিক্ষা দেন। এটি মাদ্রাসা থেকে পড়ে আসা বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শর্তের সঙ্গে সীমাবদ্ধ নয়।   _কুরআনের ভিত্তি:_  আল্লাহ তাআলা বলেন:  "আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে কেবল আলেমগণই তাঁকে ভয় করেন।" (সূরা ফাতির: ২৮) এখানে আলেম বলতে বোঝানো হয়েছে সেইসব মানুষকে, যারা আল্লাহর কুদরত, তাঁর বিধান, এবং তাঁর দীন সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রাখেন এবং তা অনুযায়ী আমল করেন।   _হাদিসের ভিত্তি:_  নবী করিম (সা.) বলেছেন:  "যে ব্যক্তি জ্ঞানের সন্ধানে বের হয়, আল্লাহ তাকে জান্নাতের পথে সহজ করেন।" (সহীহ মুসলিম: ২৬৯৯) এই হাদিসে "জ্ঞানের সন্ধান" বলতে কেবল মাদ্রাসায় অধ্যয়ন নয়, বরং আল্লাহর দীন ও শরীয়াহর জ্ঞান অর্জনের যে কোনো বৈধ পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশের প্রথা অনুয...

গান হারাম না কিন্তু...

Image
      》 শরীয়ত অনুযায়ী গান হারাম নয় কিন্তু .... ইসলামের দৃষ্টিতে গান নিষিদ্ধ না হলেও "বাদ্যযন্ত্র" সরাসরি হারাম রয়েছে। গান বলতে সেটা বোঝানো হয়, যেটা কেউ খালি গলায় কোন কথাকে সুর দিয়ে যদি উপস্থাপন করে বা ছন্দ আকারে উপস্থাপন করে(কবিতা) । আর বাদ্যযন্ত্র: যে কোনো কিছু যা পরস্পর নিজেদের মধ্যে ক্রিয়া করে শব্দ সৃষ্টি করে তাকেই বলে বাদ্যযন্ত্র যেমন: গিটার, তবলা ইত্যাদি। আল্লাহ তাআলা বলেন তোমরা মানুষকে কুরআন এবং হাদিস থেকে নসীয়ত কর। কারণ কোরআনের ভিতরে আল্লাহতালার হেদায়েতের নূর রেখেছেন। তাই আমি আল্লাহ ইচ্ছাতে, আল্লাহর জন্য, সরাসরি কুরআন এবং হাদিস থেকে কিছু কথা রাখলাম বাকিটা আল্লাহতালার ইচ্ছা তিনি সকলের অন্তরের মালিক, তিনি চাইলে অন্তর পরিবর্তন করে দিতে পারেন। ♣︎ কুরআনের দৃষ্টিভঙ্গি কুরআনে সরাসরি গান-বাজনা সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট বর্ণনা নেই, তবে কিছু আয়াত থেকে এ বিষয়ে ইঙ্গিত পাওয়া যায়: 1. সুরা লুকমান (৩১:৬): “আর মানুষের মধ্যে কেউ কেউ আছে, যারা অজ্ঞতা বশত আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য ‘লাহওয়াল হাদীস’ (অর্থহীন ও মনোরঞ্জক বিষয়াবলি) ক্রয় করে এবং তা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে। তাদের...

দোয়া - বদ'দোয়া - বদনজর

Image
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: > "দোয়া ব্যতীত অন্য কোনো কিছুই ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারে না এবং সৎকাজ ব্যতীত অন্য কোনো কিছুই হায়াত বাড়াতে পারে না।"  গ্রন্থ: সুনান আত-তিরমিযী হাদিস নম্বর: 2139 ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: > "বদ নজর সত্য; এমনকি যদি কোনো কিছু তাকদীরকে অতিক্রম করতে পারত, তবে বদ নজর তা অতিক্রম করত।"  গ্রন্থ: সহিহ মুসলিম হাদিস নম্বর: 2188 জিন, তাবিজ বা বদ নজরের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য ইসলামিক নির্দেশনায় কিছু আমল এবং দোয়া উল্লেখ করা হয়েছে, যা কুরআন ও হাদিস থেকে প্রমাণিত। এইসব আমল করলে আল্লাহর রহমতে এসব খারাপ প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এখানে দলিলসহ বিস্তারিত তুলে ধরা হলো: তাবিজের প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে করণীয়: 1. তাওবা করা: সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছে তাওবা করতে হবে, কারণ তাবিজের মাধ্যমে শিরক বা ভুল আমল হয়ে থাকতে পারে। তাওবা করলে আল্লাহ তা মাফ করে দেন। দলিল: “তোমরা সবাই আল্লাহর দিকে তাওবা করো, হে মুমিনগণ, যাতে তোমরা সফলকাম হও।” (সুরা নূর: ৩১) 2. তাবিজের ধ্ব...

প্রশংসা করার কুফল ও সঠিক পদ্ধতি

Image
ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, একজন ব্যক্তির সামনে তার ভালো কাজের প্রশংসা করার বিষয়ে কুরআন এবং হাদিসে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে। এ বিষয়ে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে কিছু জানা যাক:      ■            কুরআনের নির্দেশনা 1. আত্মপ্রশংসা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ > "তোমরা নিজেদের প্রশংসা করো না। তিনিই (আল্লাহ) ভালো জানেন কে সত্যিকারের ধার্মিক।" (সুরা আন-নাজম: ৩২) এই আয়াত ইঙ্গিত করে যে আত্মপ্রশংসা বা অন্যকে এমনভাবে প্রশংসা করা যা অহংকার জন্মাতে পারে, তা অনুচিত। 2. নেক আমলের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি > "যে কেউ উত্তম কাজ করে, সে যেন তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই করে।" (সুরা কাহফ: ১১০) প্রশংসা যদি মানুষের অন্তরে অহংকার বা আত্মতৃপ্তি আনতে পারে, তবে এটি নেক আমলের খাঁটি উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে।       ■               হাদিসের শিক্ষা 1. সরাসরি প্রশংসা না করার পরামর্শ  নবী করিম (সা.) বলেছেন: > "তোমরা কারো প্রশংসা করার সময় তার মুখে মাটির মুঠো নিক্ষেপ করো।" (মুসলিম, হাদিস নং: ৩০০২) অর্...

আমাদের নিয়মিত অভ্যাসের অজানা শিরিক গুলো

Image
শি/র/ক করে ফেলছি, অথচ টের পাই না।   যেমন: ১- "ভাগ্যিস, জোরে ধরছিলাম, তা না হলে পড়েই যেতাম!" এখানে শি/র/ক কোথায় হলো?  আমি পড়ে যাই নি, কারণ দুইটা- আমার ভাগ্য আর আমি বা আমার বুদ্ধি। এখানে আল্লাহর কিছুই রাখি নি। এটা কু/ফু/রী/র পর্যায়ে পড়ে যায়।  এই অবস্থায় যা বলতে হতো- আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ রক্ষা করেছেন। তা না হলে পড়েই যেতাম।  ২-" ভাই, বিয়ের সব ব্যবস্থা করে রেখেছি, বাকী আল্লাহ ভরসা। " এটা কেন শি/র/ক হবে?  কারণ আমার ব্যবস্থাপনাকে বড় করে আল্লাহকে বাকীটা দিলাম। এখানে নিজের ব্যাবস্থাপনাকে বড় করা হলো। আর আল্লাহর বিষয়টা শেষে রেখে আল্লাহকে ছোট করা হয়েছে।  এখানে বলা দরকার ছিলো- আল্লাহর ইচ্ছায় ও রহমতে ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু সব কিছুই আল্লাহর ওপর ভরসা / হাওয়ালা করে দিয়েছি।  ৩- "একদম চিন্তা করবেন না, সব কিছু সময় মত ঠিক ঠাক পেয়ে যাবেন।" এখানে শি/র/ক কোথায় হলো?  এখানে ইনশাআল্লাহ না বলায় সব কিছু আমি নিলাম, আল্লাহকে কিছুই দিলাম না।  ৪- "খুব ভালো ডাক্তার। তার এক ডোজ ওষুধ খেয়ে আমি ভালো হয়ে গেছি" এখানে কোথায় শি/র/ক হলো?  এখান...

মুসলমানদের একটাই দল

Image
সংক্ষিপ্ত লেখা; পড়ুন। আমি কোন আলেম(মাদ্রাসা নীতি অনুযায়ী) নয়। তাই আমি কোন নিজস্ব মতের ব্যাখ্যায় যাব না। এই পোস্টটি সাজাতে আমাকে অনেক টেকনোলজি এবং বই-পুস্তক সহ আলেমগণের সাথে অনেক লম্বা যোগাযোগ করা লেগেছে। যেহেতু মানুষকে কুরআন এবং হাদিসের সরাসরি আয়াত থেকে সত্যের দিকে আহ্বান দিতে বলা হয়েছে; আমি তাই চেষ্টা করলাম। কোরআন হাদিসের বানীতে রয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে হেদায়েতের নূর। আমি জামাত ইসলামী নয়, আমি চরমোনা পন্থী নয়, আমি শিবির নই, আমি তবলিগওয়ালাও নই, আমি সুন্নি বুঝিনা, আমি শিয়া চিনি না, আমি আটরশি / কাদিয়ানী কাউকেই চিনিনা-জানিনা আর জানতে চায় না।  আমি পরিষ্কার জানি, আমি ইসলাম ধর্ম অবলম্বনকারী একজন মুসলিম। আমি কলেমাকে স্বীকার করি, আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস করি, নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শেষ নবী এবং শ্রেষ্ঠ নবী হওয়ার সাক্ষ্য দেয়। এবং আমি তারই উম্মত; তারই দলের একজন হিসেবে তার অনুসরণ করি। আমি আল কোরআনুল কারীমকে আল্লাহর নিজের বাণী এবং নির্ভুল ও পরিপূর্ণ আসমানী কিতাব হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাস পোষণ করি। >> এই পর্যন্ত সবকিছু ঠিক রেখে - আমি যা খুশি ত...

বিবাহ আর ইসলামিক জীবনের কল্যাণ ও সাফল্য

Image
মুসলিম হিসেবে বিয়েকে সহজ করুন, নিজে দ্রুত বিয়ে করুন, অন্যের বিয়ের জন্য সাহায্য করুন, বিয়ের প্রতি মানুষকে উৎসাহিত করুন, বিয়ের সামাজিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করুন।  >> ক্ষণস্থায়ী দুনিয়াতে ভবিষ্যতে উচ্চ প্রতিষ্টিত হওয়ার ধোকায় পড়ে নিজের চিরস্থায়ী আখেরাতকে ক্ষতির মধ্যে ফেলবেন না। রিজিক আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে, যার রিযিক সেই নিয়ে আসে। সামাজিক রীতিনীতি আর অজ্ঞ মানুষের কথার ফাঁদে পড়ে শরীয়তের আইন, আল্লাহ ও রাসুলের হুকুমকে পিছনে ফেলে রাখার সুযোগ নেই।                       বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। "স্বামী-স্ত্রী" একমাত্র সম্পর্ক যেটি আল্লাহতালা স্বয়ং উপস্থিত থেকে সূচনা করেন। এটি একমাত্র সম্পর্ক যেটি জান্নাত থেকেই পথ চলা শুরু করে। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে আল্লাহতালা শক্তিশালী নিয়ামত লুকায়িত রেখেছেন। যদি এই সম্পর্ককে কাজে লাগানো সম্ভব হয় তাহলেই এই সম্পর্কের সম্পূর্ণ শক্তি ব্যবহার করা যায়। এটিই পৃথিবীর সমস্ত সম্পর্কের মধ্যে প্রথম সম্পর্ক, আর এই সম্পর্ক থেকেই পরে অন্য সব সম্পর্কের...

আলেম ও এলেম

Image
আলেম কারা? আপনি কাদেরকে আলেম বলেন? কোন দলিলের ভিত্তিতে কেউ নিজেকে বা অপরকে আলেম হিসেবে পরিচয় দেয়? আমাদের জানা আলেম কি শুধু সামাজিক পরিচয়ে আলেম? নাকি ইসলামে বর্ণিত বর্ণনা অনুযায়ী দ্বীনি পরিচয়ে আলেম? 》আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে বর্ণিত আলেমদের পরিচয় জানা যাক《 সকল ব্যক্তি বিশেষের নিজস্ব মতামত ও দাবিকে সম্পূর্ণ আলাদা সরিয়ে রেখে, সরাসরি কোরআন এবং হাদিস থেকে "আলেম" কারা আর কিভাবে আলেম হিসেবে আল্লাহর কাছে কবুল হওয়া সম্ভব সে বিষয়ে আলোচনা করা যাক: ● আমার এই ব্যাপক লেখনিটি প্রতিটি মুসলমানকে তার দ্বীন ইসলামের সাথে নিজের অবস্থান থেকেই সরাসরি নিজের আমলের উপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার যোগ্যতা ও দক্ষতার দলিল দেবে। যে, যে ভাষার হোক; যে, যে শিক্ষায় শিক্ষিত হোক; যে, যে কর্মের হোক; যে, যে বর্ণের হোক; প্রত্যেক মুসলমানকে ইসলামের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কের প্রমাণ দেখাবে এই লেখনি। প্রতিটি মুসলমান তা নিজ অবস্থান থেকে আল্লাহর কাছে সমান এবং দ্বীনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ আল্লাহ তায়ালা সবার জন্য সমান রেখেছেন তা মানুষকে জানাবে। আল্লাহতালার অশেষ হিকমত ছিল এটি যে তিনি নবী করীম সাল্লাল্ল...