বিবাহ আর ইসলামিক জীবনের কল্যাণ ও সাফল্য

মুসলিম হিসেবে বিয়েকে সহজ করুন, নিজে দ্রুত বিয়ে করুন, অন্যের বিয়ের জন্য সাহায্য করুন, বিয়ের প্রতি মানুষকে উৎসাহিত করুন, বিয়ের সামাজিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করুন। 

>> ক্ষণস্থায়ী দুনিয়াতে ভবিষ্যতে উচ্চ প্রতিষ্টিত হওয়ার ধোকায় পড়ে নিজের চিরস্থায়ী আখেরাতকে ক্ষতির মধ্যে ফেলবেন না। রিজিক আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে, যার রিযিক সেই নিয়ে আসে। সামাজিক রীতিনীতি আর অজ্ঞ মানুষের কথার ফাঁদে পড়ে শরীয়তের আইন, আল্লাহ ও রাসুলের হুকুমকে পিছনে ফেলে রাখার সুযোগ নেই।

                      বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।

"স্বামী-স্ত্রী" একমাত্র সম্পর্ক যেটি আল্লাহতালা স্বয়ং উপস্থিত থেকে সূচনা করেন। এটি একমাত্র সম্পর্ক যেটি জান্নাত থেকেই পথ চলা শুরু করে। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে আল্লাহতালা শক্তিশালী নিয়ামত লুকায়িত রেখেছেন। যদি এই সম্পর্ককে কাজে লাগানো সম্ভব হয় তাহলেই এই সম্পর্কের সম্পূর্ণ শক্তি ব্যবহার করা যায়। এটিই পৃথিবীর সমস্ত সম্পর্কের মধ্যে প্রথম সম্পর্ক, আর এই সম্পর্ক থেকেই পরে অন্য সব সম্পর্কের সৃষ্টি। 

ইসলামিক দৃষ্টিতে বিবাহ:
ইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ে করা (নিকাহ) কখনো সুন্নত, কখনো ফরজ, কখনো ওয়াজিব বা হারামও হতে পারে, এটি ব্যক্তির অবস্থার ওপর নির্ভর করে। তবে সাধারণ অবস্থায় বিয়ে করা সুন্নতে মুআক্কাদা, অর্থাৎ এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নত।

                বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বিয়ের বিধান:

1. ফরজ (বাধ্যতামূলক):
যদি কোনো ব্যক্তি নিজের প্রবৃত্তি (sexual desires) নিয়ন্ত্রণ করতে অক্ষম হয় এবং বিয়ে না করলে হারামে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তাহলে তার জন্য বিয়ে করা ফরজ।


2. ওয়াজিব (অত্যাবশ্যক):
যদি বিয়ে না করার কারণে কোনো গুনাহে জড়িয়ে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে, তখন বিয়ে ওয়াজিব হয়ে যায়।


3. সুন্নতে মুআক্কাদা (গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত):
যদি কেউ গুনাহের আশঙ্কা ছাড়াই বিয়ে করতে সক্ষম হয় এবং তাকে কোনো বাধা না দেয়, তাহলে তার জন্য বিয়ে করা সুন্নত।


4. মুবাহ (অনুমোদিত):
যদি বিয়ে করার বা না করার ব্যাপারে কোনো বিশেষ কারণ বা প্রয়োজন না থাকে, তখন বিয়ে মুবাহ বা অনুমোদিত।


5. মাকরুহ (নিন্দনীয়):
যদি কারো শারীরিক, মানসিক বা আর্থিক অবস্থা বিয়ের দায়িত্ব পালনে অক্ষম করে তোলে এবং তা অন্যের জন্য ক্ষতির কারণ হয়, তবে বিয়ে মাকরুহ হতে পারে।


6. হারাম (নিষিদ্ধ):
যদি বিয়ে করার মাধ্যমে কারো প্রতি অন্যায় করা হয় বা তার কোনো অবৈধ উদ্দেশ্য থাকে, তাহলে বিয়ে করা হারাম।


কোরআন ও হাদিসের ভিত্তিতে বিয়ের ফজিলত ও গুরুত্ব:

প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
"বিয়ে আমার সুন্নত। যে ব্যক্তি আমার এই সুন্নত থেকে বিরত থাকে, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।" (সুনানে ইবন মাজাহ: ১৮৪৬)

নবী করিম (সা.) বলেছেন:
"যে ব্যক্তি বিয়ে করল, সে তার অর্ধেক দ্বীন পূর্ণ করল। অতএব, তাকে উচিত অবশিষ্ট অর্ধেকের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করা।"
(বায়হাকি: ৫৩৪২)

নবী করিম (সা.) বলেছেন:
"তিন ব্যক্তিকে সাহায্য করা আল্লাহর জন্য অবশ্যকর্তব্য:
১) যে আল্লাহর পথে জিহাদে রওনা হয়,
২) যে মুক্তির জন্য গোলামির চুক্তি করে,
৩) যে ব্যক্তি বিয়ে করতে চায়, যাতে সে পাপ থেকে বেঁচে থাকতে পারে।"
(তিরমিজি: ১৬৫৫)

"হে যুবকরা! তোমাদের মধ্যে যারা বিয়ের সামর্থ্য রাখে, তারা যেন বিয়ে করে। কেননা বিয়ে দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং লজ্জাস্থানকে হেফাজত করে।"
(সহিহ বুখারি, ৫০৬৬)

"তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত, তাদের বিয়ে করাও, এবং যারা তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যোগ্য, তাদেরও। যদি তারা দরিদ্র হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে সম্পদশালী করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।"
(সূরা আন-নূর: ৩২)

কোরআন ও হাদিসে বিবাহকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত ও মানবজীবনের একটি পূর্ণতা দানকারী বিধান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিবাহের মাধ্যমে মানুষ বিভিন্ন ধরনের রহমত, বরকত ও ফজিলত পায়। নিচে কোরআন ও হাদিসের আলোকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হলো:

১. বিবাহ একটি সুন্নাত ও পূর্ণ ইবাদত

নবী করিম (সা.) বলেছেন:
"বিবাহ আমার সুন্নাত। যে আমার সুন্নাত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।"
(সুনান ইবনে মাজাহ, ১৮৪৬)
এই হাদিস থেকে বোঝা যায় যে, বিবাহ করা মহানবীর সুন্নাত এবং এর মাধ্যমে একজন মুসলিম সওয়াব অর্জন করতে পারে।


২. বিবাহ চরিত্র সংরক্ষণ করে ও পাপ থেকে বাঁচায়

"তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত, তাদের বিয়ে করাও, এবং যারা তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যোগ্য, তাদেরও। যদি তারা দরিদ্র হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে সম্পদশালী করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।"
(সূরা আন-নূর: ৩২)

হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেন:
"হে যুবকরা! তোমাদের মধ্যে যারা বিয়ের সামর্থ্য রাখে, তারা যেন বিয়ে করে। কেননা বিয়ে দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং লজ্জাস্থানকে হেফাজত করে।"
(সহিহ বুখারি, ৫০৬৬)


৩. বিবাহে পারস্পরিক ভালোবাসা ও প্রশান্তি

"আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে একটি হল, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও এবং তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয়ই এর ভেতরে চিন্তাশীল ব্যক্তিদের জন্য রয়েছে ভাবনার বিষয়বস্তু"
(সূরা আর-রূম: ২১)

""এই আয়াতটি পড়ার সময় আমি অত্যন্ত আশ্চর্য হয়েছি বারবার। যেখানে মাত্র কিছুদিন আগে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান জানতে পারলো মানুষের মধ্যে, পুরুষ দের শরীরে "XY" দুইটি ক্রোমোজোমই বিদ্যমান কিন্তু একটা নারী গঠিত হতে হলে সেখানে দুইটি "YY" ক্রোমোজোম প্রয়োজন। আল্লাহতালা আদম আলাই সালাম কে আগেই সৃষ্টি করেছিলেন। যদি ধর্মীয় দিক বাদ দিয়েও দেখি তাহলেও সৃষ্টি জগতে নারী আগে সৃষ্টি হলে তার ভিতরে X এবং Y উভয়টি বিদ্যমান হত। কিন্তু এমন টা হয়নি, সুতরাং পুরুষের মধ্যে দুইটি জাতীয় দুইটি ক্রোমোজোম বিদ্যমান থাকায় এটা স্পষ্ট যে সৃষ্টি জগতের ভিতরে জীবতত্ত্ব অনুযায়ীও পুরুষেরা আগে অস্তিত্ব লাভ করেছে। এবং পুরুষদের ভেতর থেকে পরবর্তীতে একটি ক্রোমোজোম দ্বারা নতুন একদল সৃষ্টি বা অস্তিত্ব লাভ করেছে। অর্থাৎ পুরুষদের ভিতর থেকেই নারীদেরকে সৃষ্টি করার বিষয়টি স্পষ্ট। আর এই বিষয়ে কত সূক্ষ্ম এবং পরিষ্কার ভাষা দ্বারা ১৪০০ বছর আগে আল্লাহতালা মানুষকে জানিয়েছেন-সুবহানাল্লাহ।""

৪. আল্লাহর রহমত ও বরকত বৃদ্ধি পায়

নবী করিম (সা.) বলেছেন:
"তিন ব্যক্তিকে সাহায্য করা আল্লাহর জন্য অবশ্যকর্তব্য:
১) যে আল্লাহর পথে জিহাদে রওনা হয়,
২) যে মুক্তির জন্য গোলামির চুক্তি করে,
৩) যে ব্যক্তি বিয়ে করতে চায়, যাতে সে পাপ থেকে বেঁচে থাকতে পারে।"
(তিরমিজি: ১৬৫৫)


৫. সন্তান-সন্ততির মাধ্যমে উম্মতের বৃদ্ধি

হাদিসে নবী (সা.) বলেন:
"তোমরা এমন নারীদের বিয়ে করো যারা সন্তানপ্রসবক্ষম ও প্রেমময়ী। কেননা আমি কিয়ামতের দিন তোমাদের সংখ্যাধিক্যের মাধ্যমে অন্য সকল নবীদের ওপর গর্ব করবো।"
(আবু দাউদ, ২০৫০)


৬. ইমানের পূর্ণতা লাভ

নবী করিম (সা.) বলেছেন:
"যে ব্যক্তি বিয়ে করল, সে তার অর্ধেক দ্বীন পূর্ণ করল। অতএব, তাকে উচিত অবশিষ্ট অর্ধেকের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করা।"
(বায়হাকি: ৫৩৪২)


৭. বিবাহে দুনিয়াবি ও আখিরাতের কল্যাণ

বিবাহ দুনিয়ায় মানসিক প্রশান্তি ও পাপ থেকে রক্ষা করার পাশাপাশি আখিরাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের অন্যতম মাধ্যম।


>>বিবাহ মানুষের চরিত্রকে পবিত্র রাখে, মানসিক প্রশান্তি দেয়, আল্লাহর রহমত ও বরকত লাভের সুযোগ করে দেয়, এবং এটি নবী করিম (সা.)-এর সুন্নাত হওয়ায় এতে অনেক সওয়াব রয়েছে। বিবাহের মাধ্যমে দাম্পত্য জীবনে দুনিয়া ও আখেরাতের সাফল্য লাভ হয় এবং পরিবার গঠন ও সন্তানদের লালন-পালনের মাধ্যমে সমাজের ইসলামের ভিত্তি মজবুত হয়। এসব সরাসরি দলিল সহ আরো আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য এবং সম্পদ অর্থাৎ রিজিক বৃদ্ধির ওয়াদাও বিয়ের মাধ্যে রয়েছে।<<

বিয়ের জন্য মানসিক প্রস্তুতি এবং শরিয়া সম্মত পদ্ধতিতে সঙ্গে নির্বাচন:

পৃথিবীতে একমাত্র ইসলামই ধর্ম যেখানে মানুষের আবেগ দিয়ে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার সুযোগ নেই। কোরআন হাদিসের কিছু হুকুম বিশ্বাসের দ্বারা এবং আর তা থেকে দুনিয়ার ভিতরের জীবন পরিচালনার বিষয়গুলো যুক্তি-চিন্তা এবং বিবেক ও পর্যবেক্ষণের দ্বারা মানুষকে পথ চলতে শেখায়। যারা গত সহকারে মেনে চলবে তারা সফলকাম হবে। আর যারা মানবে না তাদের পরিণতি অনিশ্চিত।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"নারীকে চারটি বিষয়ে বিবেচনা করে বিবাহ করা হয়: তার সম্পদ, বংশ, সৌন্দর্য এবং দ্বীনদারী। তুমি দ্বীনদার নারীকে (বিবাহ করে) সফলতা অর্জন করো, নতুবা তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।"
(সহিহ বুখারি: ৫০৯০, সহিহ মুসলিম: ১৪৬৬)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"দুনিয়ার সবকিছুই ভোগ্য বস্তু, আর দুনিয়ার সবচেয়ে উত্তম বস্তু হলো নেককার স্ত্রী।"
(সহিহ মুসলিম: ১৪৬৭)

কোরআন ও হাদিসের বহু বর্ণনায় মানুষকে নেককার ও দ্বীনদার সঙ্গী বিয়ের মাধ্যমে পাওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার ইঙ্গিত রয়েছে।
ইসলামে বিবাহ কেবল একটি সামাজিক বন্ধন নয়, বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইবাদত এবং জীবনসংগ্রামের সাথী হিসেবে একজনের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রদত্ত বিশেষ দায়িত্ব।

পরিশেষে বিবাহিত যারা; তাদের উদ্দেশ্যে দুইটি নবীজির পক্ষ থেকে হাদিস উল্লেখ করে শেষ করছি।

"আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন, 'তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে তার পরিবার-পরিজনের সাথে উত্তম আচরণ করে।'

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন:
"যখন একজন পুরুষ তার স্ত্রীর দিকে ভালোবাসার দৃষ্টিতে তাকায় এবং স্ত্রীও স্বামীর দিকে তাকায়, তখন আল্লাহ তাদের দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন।"
(বায়হাকি, শু'আবুল ঈমান)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন:
"ইবলিস তার সিংহাসন পানি (সমুদ্র) এর ওপর স্থাপন করে। তারপর সে তার সেনাদের প্রেরণ করে। তার সেনাদের মধ্যে তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সেই ব্যক্তি, যে সবচেয়ে বড় ফেতনা সৃষ্টি করতে পারে। তাদের একজন এসে বলে: আমি এই-এই কাজ করেছি। কিছু মানুষকে দ্বীন থেকে বাহির করেছি, কিছু মানুষকে ঈমানের বিরুদ্ধে নিয়ে গিয়েছি। ইবলিস বলে: তুমি কিছুই করনি। তারপর আরেকজন এসে বলে: আমি স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ/বিবাদ ঘটিয়ে দিয়েছি। তখন ইবলিস তাকে কাছে ডেকে নেয় এবং বলে: তুমিই সেরা।"
(সহিহ মুসলিম: ২৮১৩)

[ এ থেকে পরিষ্কার জানা গেল, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য শয়তানের একটি প্রতারণা। তাই আমাদের উচিত সচেতনতার সাথে শয়তানকে আগে পরাজিত নিশ্চিত করা এরপর নিজেদের মধ্যে সমঝোতা ফিরে আনার চেষ্টা করো ]

"আর যদি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতবিরোধের আশঙ্কা হয়, তবে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে একজন সালিস এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে একজন সালিস নিযুক্ত কর। তারা যদি মীমাংসার ইচ্ছা করে, তবে আল্লাহ তাদের মধ্যে সমঝোতা সৃষ্টি করবেন।" (সূরা আন-নিসা: ৩৫)


Comments

More Interesting Topics

খ্রিষ্টানদের বড়দিন আর মুসলমানদের ধ্বংসের দিন

শরীয়তের পোশাকের সুন্নত ও নীতিমালা

প্রশংসা করার কুফল ও সঠিক পদ্ধতি