Posts

Showing posts with the label Jarif Ur Rahim

প্রতিবেদন এবং আগামী Seminar: Empower Your Earning With Artificial Intelligence.

Image
Rashik / Jarif Ur Rahim G.K.M. Jarif Ur Rahim / জারিফ উর রহিম এবং Rashik - The Awakening: একটি নিরপেক্ষ প্রতিবেদন। লেখক: Manus AI   তারিখ: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫   ভূমিকা এই প্রতিবেদনটি জারিফ উর রহিম এবং তার প্রতিষ্ঠান "Rashik - The Awakening" সম্পর্কে একটি নিরপেক্ষ এবং বিস্তারিত বিশ্লেষণ উপস্থাপন করে। এর লক্ষ্য হলো তাদের কাজের ধরণ, পদ্ধতি, প্রদত্ত সেবা, ক্লায়েন্ট ও শিক্ষার্থীদের মতামত এবং সামগ্রিকভাবে তাদের কাজের প্রভাব সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা। প্রাপ্ত তথ্য বিভিন্ন অনলাইন উৎস, সামাজিক মাধ্যম এবং ব্যবহারকারীর প্রদত্ত স্ক্রিনশট থেকে সংগৃহীত হয়েছে।   জারিফ উর রহিম: পরিচিতি ও পটভূমি জি.কে.এম. জারিফ উর রহিম "Rashik - The Awakening" এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পরামর্শক। তিনি একজন প্রভাষক, প্রযুক্তিবিদ, ক্যারিয়ার স্ট্র্যাটেজিস্ট, আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক এবং স্ট্র্যাটেজিক মার্কেটিং পরামর্শক হিসেবে পরিচিত [1]। তার মূল লক্ষ্য হলো দক্ষিণ এশিয়ার তরুণ প্রজন্মকে ক্যারিয়ারের স্পষ্টতা, প্রযুক্তিগত সচেতনতা এবং আধ্যাত্মিক জাগরণের মাধ্যমে একটি অর্থপূর্ণ পথে পরি...

শরীয়তের পোশাকের সুন্নত ও নীতিমালা

Image
♣︎ ইসলামের দৃষ্টিতে পোশাক: জানা যাক পোশাক সংক্রান্ত যাবতীয় সকল নির্দেশনা এবং আলোকিত হোক পোশাক নিয়ে সমস্ত দ্বিধাদ্বন্দ আর অন্ধকার । ইসলাম ধর্মে পোশাক মানুষের সৌন্দর্য, শালীনতা ও ইবাদতের প্রতীক। এটি শুধু দেহ আবৃত করার জন্য নয়, বরং মানুষের আধ্যাত্মিক, নৈতিক ও সামাজিক মান বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কুরআন ও হাদিসে পোশাকের ব্যাপারে পরিষ্কার দিকনির্দেশনা রয়েছে, যা মানুষকে সঠিক পথ দেখানোর পাশাপাশি পোশাকের ব্যবহারিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব তুলে ধরে। ♠︎ ইসলামের আলোকে পোশাকের সংজ্ঞা ইসলামের দৃষ্টিতে পোশাক বলতে বোঝায় এমন বসন যা মানুষের দেহের আবশ্যক অংশগুলোকে ঢেকে রাখে, শালীনতা বজায় রাখে এবং সমাজে একজন মুসলমানের পরিচয় তুলে ধরে। আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন: "হে আদমসন্তান! আমি তোমাদের জন্য পোশাক দান করেছি, যা তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করে এবং শোভা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আর তাকওয়ার পোশাকই সর্বোৎকৃষ্ট।" (সূরা আল-আ'রাফ: ২৬) এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, পোশাকের মূল উদ্দেশ্য হলো লজ্জাস্থান আবৃত করা এবং আল্লাহভীতি বা তাকওয়া প্রকাশ করা। তাই ইসলামে পোশাক কেবল বাহ্যিক আবরণের বিষয় নয়, এটি মনের ...

ইসলামী খেলাফত কি এবং কেন শ্রেষ্ঠ

Image
  ♣︎ ইসলামী খেলাফত: একটি সময়োপযোগী গবেষণা ও চিন্তনমূলক বিশ্লেষণ:- মুসলিমরা অনেকেই খেলাফতের মূল অর্থ এবং চরিত্র সম্পর্কে বুঝতে কিছুটা ভুল করেন। অমুসলিমদের মধ্যে অনেকেরই ধারণা খেলাফত মানে তাদের অধিকারহীনতা, নিরাপত্তাহীনতা এবং পরাধীনতার মধ্যে জীবন কাটানো। এ বিষয়ে আসলে ইসলাম কি বলে? চলুন অন্ধ বিশ্বাস আর মিথ্যা দোষারোপ প্রচারের পূর্বে একটু জানার চেষ্টা করা যাক। এখানে সম্পূর্ণ ইসলামের আলোকে খেলাফত সম্পর্কে দলিল সহ আলোচনা থাকবে এবং ইতিহাস ও পৃথিবীর অতীত থেকে প্রমাণ দিব ইনশাল্লাহ। খেলাফত কি এবং কেন? ইসলামী খেলাফত বলতে আমরা বুঝি এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা, যা আল্লাহর নির্দেশনা ও রাসূলুল্লাহর (সা.) সুন্নাহর আলোকে পরিচালিত হয়। এই শাসনব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হলো আল্লাহর জমিনে ন্যায়বিচার, সমতা, এবং মানব কল্যাণ নিশ্চিত করা। ইসলামী খেলাফতের আলোচনা আজকের সমাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বর্তমান বিশ্বে আমরা নৈতিক অবক্ষয়, বৈষম্য এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের চরম পর্যায়ে পৌঁছেছি। এ প্রবন্ধে, আমি ইসলামী খেলাফতের প্রকৃত ধারণা, প্রয়োজনীয়তা এবং এর বৈশিষ্ট্য নিয়ে বিশ্লেষণমূলক আলোচনা করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ,...

ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠার ধরন ও পদ্ধতি

Image
  》বাংলাদেশের প্রতিটি মুসলমান ইসলামী খেলাফত চাই - প্রকৃত খেলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য করণীয়, বর্জনীয় এবং প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে জানতে ও বুঝতে চেষ্টা করাটা আমাদের জন্য আগে প্রয়োজন।《 ♠︎ ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠা :  কোরআন, হাদিস এবং নবীজির জীবনের আলোকে একটি বিশুদ্ধ পর্যালোচনার চেষ্টা ইসলাম শুধু একটি ধর্ম নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যা মানুষের জীবন পরিচালনার সকল দিককে আল্লাহর নির্দেশিত পথে নিয়ন্ত্রণ করে। খেলাফত এই ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ। এটি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক কাঠামো নয়, বরং মানবতার প্রতি আল্লাহর প্রদত্ত ন্যায়বিচার, শান্তি এবং কল্যাণের প্রতীক। তবে খেলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি এবং ধৈর্যের সাথে শর্ত পূরণের আন্তরিক প্রচেষ্টা। কোরআন, হাদিস, এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর জীবনের আলোকে আমরা এর প্রতিটি ধাপ এবং প্রাসঙ্গিক শর্তাবলী জানতে পারি। ♣︎ খেলাফতের মুলনীতি : -  { কোরআনের নির্দেশনা } খেলাফত প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো পৃথিবীতে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠা করা। আল্লাহ বলেন: "তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, আল্লাহ তাদের খেলাফত প্রদান করবে...

গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান

Image
॥ যেকোনো কারণবশত হঠাৎ আজ আম্মু আর আমার একটি প্রশ্ন মাথায় আসলো। উত্তরটি জানা না থাকার কারণে সাথে সাথে ই অনুসন্ধানের কাজ শুরু করে দিলাম। ■ প্রশ্ন: বিয়ের আগে পুরুষের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান করা বা এই অনুষ্ঠানে অস্থির হিসেবে অংশগ্রহণ করা ইসলামে বৈধ কিনা?  ■ সম্ভাব্য সম্পৃক্ত জবাব: গায়ে হলুদ সম্বন্ধে সংসদ বাংলা অভিধান বলছে, গায়ে-হলুদ, বিবাহের অব্যবহিত পূর্বে পাত্রপাত্রীকে হলুদ মাখাইয়া স্নান করানর হিন্দু সংস্কার বিশেষ। পৃ. ১৬৯।  হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসঈদ রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন, ব্যক্তি [কিয়ামতের দিন] তার সাতে থাকবে যাকে সে মোহাব্বত করে। {মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-৩৭১৮, বুখারী, হাদীস নং-৬১৬৮, ৫৮১৬} হযরত ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন- যে ব্যক্তি যার সাদৃশ্য গ্রহণ করে, সে তাদেরই অন্তর্ভূক্ত। {সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-৪০৩১} সুতরাং প্রশ্ন উল্লেখিত গায়ে হলুদ করা জায়েজ নেই। আর ইসলামে যা জায়েজ নেই এমন কাজ নিজে না করলেও সে কাজে অংশগ্রহণ করা কাজকে সমর্থন করার সমতুল্য। গায়ে হলুদ করার বৈধতা সম্পর্কে দেখলাম কিছু মানুষ নিম্নোক্ত হাদীসটির উল্লেখ দেখানোর চেষ...

খ্রিষ্টানদের বড়দিন আর মুসলমানদের ধ্বংসের দিন

Image
আমি জানি এসব লেখা কারোর পড়তে আগ্রহ থাকবে না.... খ্রিস্টানদের বড়দিন (Christmas) হল যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন উদযাপনের দিন। এটি প্রতি বছর ২৫ ডিসেম্বর পালন করা হয়। বড়দিন উদযাপনের ইতিহাস এবং এর তাৎপর্য সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো: ♠︎ মূল ইতিহাস~ 1. যিশু খ্রিস্টের জন্ম খ্রিস্টান বিশ্বাস অনুসারে, যিশু খ্রিস্ট হলেন ঈশ্বরের পুত্র, যিনি মানবজাতির পাপ থেকে মুক্তি দিতে পৃথিবীতে এসেছিলেন। বাইবেলের বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি বেথলেহেম শহরে কুমারী মেরি (Virgin Mary)-র গর্ভে অলৌকিকভাবে জন্মগ্রহণ করেন। যিশুর জন্মের ঘটনাটি বাইবেলের নতুন নিয়মে (New Testament) বিশেষভাবে লূক এবং মথি রচিত সুসমাচারে (Gospels of Luke and Matthew) বর্ণিত হয়েছে। 2. ২৫ ডিসেম্বর তারিখের পেছনের কারণ বাইবেলে যিশুর সঠিক জন্মতারিখ উল্লেখ নেই। রোমান সাম্রাজ্যে ২৫ ডিসেম্বর একটি প্যাগান উৎসবের (মিথ্রার জন্মোৎসব বা "Sol Invictus") সঙ্গে মিলিয়ে বড়দিন উদযাপন শুরু হয়। এটি খ্রিস্টধর্মকে জনপ্রিয় করার কৌশল হিসেবেও বিবেচিত হয়। চতুর্থ শতাব্দীতে রোমান সম্রাট কনস্টান্টাইন খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করার পর ২৫ ডিসেম্বরকে যিশুর জন্মদিন হিসেব...

♠︎ ইসলামের দৃষ্টিতে আলেম

Image
》ইসলামের দৃষ্টিতে আলেম হওয়ার সংজ্ঞা-বৈশিষ্ট্য ও শর্তাবলী: কুরআন এবং হাদিসের দৃষ্টিতে আলেম:~ "আলেম" শব্দটি মূলত আসে আরবি "ইলম" (জ্ঞান) শব্দ থেকে, যার অর্থ জ্ঞান অর্জনকারী। ইসলামের দৃষ্টিতে আলেম হলেন সেই ব্যক্তি যিনি আল্লাহর দ্বীনের সঠিক জ্ঞান রাখেন, বুঝতে পারেন, এবং সেই অনুযায়ী কাজ করেন ও অন্যদের শিক্ষা দেন। এটি মাদ্রাসা থেকে পড়ে আসা বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শর্তের সঙ্গে সীমাবদ্ধ নয়।   _কুরআনের ভিত্তি:_  আল্লাহ তাআলা বলেন:  "আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে কেবল আলেমগণই তাঁকে ভয় করেন।" (সূরা ফাতির: ২৮) এখানে আলেম বলতে বোঝানো হয়েছে সেইসব মানুষকে, যারা আল্লাহর কুদরত, তাঁর বিধান, এবং তাঁর দীন সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রাখেন এবং তা অনুযায়ী আমল করেন।   _হাদিসের ভিত্তি:_  নবী করিম (সা.) বলেছেন:  "যে ব্যক্তি জ্ঞানের সন্ধানে বের হয়, আল্লাহ তাকে জান্নাতের পথে সহজ করেন।" (সহীহ মুসলিম: ২৬৯৯) এই হাদিসে "জ্ঞানের সন্ধান" বলতে কেবল মাদ্রাসায় অধ্যয়ন নয়, বরং আল্লাহর দীন ও শরীয়াহর জ্ঞান অর্জনের যে কোনো বৈধ পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশের প্রথা অনুয...

গান হারাম না কিন্তু...

Image
      》 শরীয়ত অনুযায়ী গান হারাম নয় কিন্তু .... ইসলামের দৃষ্টিতে গান নিষিদ্ধ না হলেও "বাদ্যযন্ত্র" সরাসরি হারাম রয়েছে। গান বলতে সেটা বোঝানো হয়, যেটা কেউ খালি গলায় কোন কথাকে সুর দিয়ে যদি উপস্থাপন করে বা ছন্দ আকারে উপস্থাপন করে(কবিতা) । আর বাদ্যযন্ত্র: যে কোনো কিছু যা পরস্পর নিজেদের মধ্যে ক্রিয়া করে শব্দ সৃষ্টি করে তাকেই বলে বাদ্যযন্ত্র যেমন: গিটার, তবলা ইত্যাদি। আল্লাহ তাআলা বলেন তোমরা মানুষকে কুরআন এবং হাদিস থেকে নসীয়ত কর। কারণ কোরআনের ভিতরে আল্লাহতালার হেদায়েতের নূর রেখেছেন। তাই আমি আল্লাহ ইচ্ছাতে, আল্লাহর জন্য, সরাসরি কুরআন এবং হাদিস থেকে কিছু কথা রাখলাম বাকিটা আল্লাহতালার ইচ্ছা তিনি সকলের অন্তরের মালিক, তিনি চাইলে অন্তর পরিবর্তন করে দিতে পারেন। ♣︎ কুরআনের দৃষ্টিভঙ্গি কুরআনে সরাসরি গান-বাজনা সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট বর্ণনা নেই, তবে কিছু আয়াত থেকে এ বিষয়ে ইঙ্গিত পাওয়া যায়: 1. সুরা লুকমান (৩১:৬): “আর মানুষের মধ্যে কেউ কেউ আছে, যারা অজ্ঞতা বশত আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য ‘লাহওয়াল হাদীস’ (অর্থহীন ও মনোরঞ্জক বিষয়াবলি) ক্রয় করে এবং তা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে। তাদের...

দোয়া - বদ'দোয়া - বদনজর

Image
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: > "দোয়া ব্যতীত অন্য কোনো কিছুই ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারে না এবং সৎকাজ ব্যতীত অন্য কোনো কিছুই হায়াত বাড়াতে পারে না।"  গ্রন্থ: সুনান আত-তিরমিযী হাদিস নম্বর: 2139 ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: > "বদ নজর সত্য; এমনকি যদি কোনো কিছু তাকদীরকে অতিক্রম করতে পারত, তবে বদ নজর তা অতিক্রম করত।"  গ্রন্থ: সহিহ মুসলিম হাদিস নম্বর: 2188 জিন, তাবিজ বা বদ নজরের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য ইসলামিক নির্দেশনায় কিছু আমল এবং দোয়া উল্লেখ করা হয়েছে, যা কুরআন ও হাদিস থেকে প্রমাণিত। এইসব আমল করলে আল্লাহর রহমতে এসব খারাপ প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এখানে দলিলসহ বিস্তারিত তুলে ধরা হলো: তাবিজের প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে করণীয়: 1. তাওবা করা: সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছে তাওবা করতে হবে, কারণ তাবিজের মাধ্যমে শিরক বা ভুল আমল হয়ে থাকতে পারে। তাওবা করলে আল্লাহ তা মাফ করে দেন। দলিল: “তোমরা সবাই আল্লাহর দিকে তাওবা করো, হে মুমিনগণ, যাতে তোমরা সফলকাম হও।” (সুরা নূর: ৩১) 2. তাবিজের ধ্ব...

প্রশংসা করার কুফল ও সঠিক পদ্ধতি

Image
ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, একজন ব্যক্তির সামনে তার ভালো কাজের প্রশংসা করার বিষয়ে কুরআন এবং হাদিসে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে। এ বিষয়ে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে কিছু জানা যাক:      ■            কুরআনের নির্দেশনা 1. আত্মপ্রশংসা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ > "তোমরা নিজেদের প্রশংসা করো না। তিনিই (আল্লাহ) ভালো জানেন কে সত্যিকারের ধার্মিক।" (সুরা আন-নাজম: ৩২) এই আয়াত ইঙ্গিত করে যে আত্মপ্রশংসা বা অন্যকে এমনভাবে প্রশংসা করা যা অহংকার জন্মাতে পারে, তা অনুচিত। 2. নেক আমলের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি > "যে কেউ উত্তম কাজ করে, সে যেন তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই করে।" (সুরা কাহফ: ১১০) প্রশংসা যদি মানুষের অন্তরে অহংকার বা আত্মতৃপ্তি আনতে পারে, তবে এটি নেক আমলের খাঁটি উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে।       ■               হাদিসের শিক্ষা 1. সরাসরি প্রশংসা না করার পরামর্শ  নবী করিম (সা.) বলেছেন: > "তোমরা কারো প্রশংসা করার সময় তার মুখে মাটির মুঠো নিক্ষেপ করো।" (মুসলিম, হাদিস নং: ৩০০২) অর্...

আমাদের নিয়মিত অভ্যাসের অজানা শিরিক গুলো

Image
শি/র/ক করে ফেলছি, অথচ টের পাই না।   যেমন: ১- "ভাগ্যিস, জোরে ধরছিলাম, তা না হলে পড়েই যেতাম!" এখানে শি/র/ক কোথায় হলো?  আমি পড়ে যাই নি, কারণ দুইটা- আমার ভাগ্য আর আমি বা আমার বুদ্ধি। এখানে আল্লাহর কিছুই রাখি নি। এটা কু/ফু/রী/র পর্যায়ে পড়ে যায়।  এই অবস্থায় যা বলতে হতো- আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ রক্ষা করেছেন। তা না হলে পড়েই যেতাম।  ২-" ভাই, বিয়ের সব ব্যবস্থা করে রেখেছি, বাকী আল্লাহ ভরসা। " এটা কেন শি/র/ক হবে?  কারণ আমার ব্যবস্থাপনাকে বড় করে আল্লাহকে বাকীটা দিলাম। এখানে নিজের ব্যাবস্থাপনাকে বড় করা হলো। আর আল্লাহর বিষয়টা শেষে রেখে আল্লাহকে ছোট করা হয়েছে।  এখানে বলা দরকার ছিলো- আল্লাহর ইচ্ছায় ও রহমতে ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু সব কিছুই আল্লাহর ওপর ভরসা / হাওয়ালা করে দিয়েছি।  ৩- "একদম চিন্তা করবেন না, সব কিছু সময় মত ঠিক ঠাক পেয়ে যাবেন।" এখানে শি/র/ক কোথায় হলো?  এখানে ইনশাআল্লাহ না বলায় সব কিছু আমি নিলাম, আল্লাহকে কিছুই দিলাম না।  ৪- "খুব ভালো ডাক্তার। তার এক ডোজ ওষুধ খেয়ে আমি ভালো হয়ে গেছি" এখানে কোথায় শি/র/ক হলো?  এখান...

মুসলমানদের একটাই দল

Image
সংক্ষিপ্ত লেখা; পড়ুন। আমি কোন আলেম(মাদ্রাসা নীতি অনুযায়ী) নয়। তাই আমি কোন নিজস্ব মতের ব্যাখ্যায় যাব না। এই পোস্টটি সাজাতে আমাকে অনেক টেকনোলজি এবং বই-পুস্তক সহ আলেমগণের সাথে অনেক লম্বা যোগাযোগ করা লেগেছে। যেহেতু মানুষকে কুরআন এবং হাদিসের সরাসরি আয়াত থেকে সত্যের দিকে আহ্বান দিতে বলা হয়েছে; আমি তাই চেষ্টা করলাম। কোরআন হাদিসের বানীতে রয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে হেদায়েতের নূর। আমি জামাত ইসলামী নয়, আমি চরমোনা পন্থী নয়, আমি শিবির নই, আমি তবলিগওয়ালাও নই, আমি সুন্নি বুঝিনা, আমি শিয়া চিনি না, আমি আটরশি / কাদিয়ানী কাউকেই চিনিনা-জানিনা আর জানতে চায় না।  আমি পরিষ্কার জানি, আমি ইসলাম ধর্ম অবলম্বনকারী একজন মুসলিম। আমি কলেমাকে স্বীকার করি, আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস করি, নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শেষ নবী এবং শ্রেষ্ঠ নবী হওয়ার সাক্ষ্য দেয়। এবং আমি তারই উম্মত; তারই দলের একজন হিসেবে তার অনুসরণ করি। আমি আল কোরআনুল কারীমকে আল্লাহর নিজের বাণী এবং নির্ভুল ও পরিপূর্ণ আসমানী কিতাব হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাস পোষণ করি। >> এই পর্যন্ত সবকিছু ঠিক রেখে - আমি যা খুশি ত...