Posts

Showing posts with the label DeenPulse

♠︎ ইসলামের দৃষ্টিতে আলেম

Image
》ইসলামের দৃষ্টিতে আলেম হওয়ার সংজ্ঞা-বৈশিষ্ট্য ও শর্তাবলী: কুরআন এবং হাদিসের দৃষ্টিতে আলেম:~ "আলেম" শব্দটি মূলত আসে আরবি "ইলম" (জ্ঞান) শব্দ থেকে, যার অর্থ জ্ঞান অর্জনকারী। ইসলামের দৃষ্টিতে আলেম হলেন সেই ব্যক্তি যিনি আল্লাহর দ্বীনের সঠিক জ্ঞান রাখেন, বুঝতে পারেন, এবং সেই অনুযায়ী কাজ করেন ও অন্যদের শিক্ষা দেন। এটি মাদ্রাসা থেকে পড়ে আসা বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শর্তের সঙ্গে সীমাবদ্ধ নয়।   _কুরআনের ভিত্তি:_  আল্লাহ তাআলা বলেন:  "আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে কেবল আলেমগণই তাঁকে ভয় করেন।" (সূরা ফাতির: ২৮) এখানে আলেম বলতে বোঝানো হয়েছে সেইসব মানুষকে, যারা আল্লাহর কুদরত, তাঁর বিধান, এবং তাঁর দীন সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রাখেন এবং তা অনুযায়ী আমল করেন।   _হাদিসের ভিত্তি:_  নবী করিম (সা.) বলেছেন:  "যে ব্যক্তি জ্ঞানের সন্ধানে বের হয়, আল্লাহ তাকে জান্নাতের পথে সহজ করেন।" (সহীহ মুসলিম: ২৬৯৯) এই হাদিসে "জ্ঞানের সন্ধান" বলতে কেবল মাদ্রাসায় অধ্যয়ন নয়, বরং আল্লাহর দীন ও শরীয়াহর জ্ঞান অর্জনের যে কোনো বৈধ পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশের প্রথা অনুয...

গান হারাম না কিন্তু...

Image
      》 শরীয়ত অনুযায়ী গান হারাম নয় কিন্তু .... ইসলামের দৃষ্টিতে গান নিষিদ্ধ না হলেও "বাদ্যযন্ত্র" সরাসরি হারাম রয়েছে। গান বলতে সেটা বোঝানো হয়, যেটা কেউ খালি গলায় কোন কথাকে সুর দিয়ে যদি উপস্থাপন করে বা ছন্দ আকারে উপস্থাপন করে(কবিতা) । আর বাদ্যযন্ত্র: যে কোনো কিছু যা পরস্পর নিজেদের মধ্যে ক্রিয়া করে শব্দ সৃষ্টি করে তাকেই বলে বাদ্যযন্ত্র যেমন: গিটার, তবলা ইত্যাদি। আল্লাহ তাআলা বলেন তোমরা মানুষকে কুরআন এবং হাদিস থেকে নসীয়ত কর। কারণ কোরআনের ভিতরে আল্লাহতালার হেদায়েতের নূর রেখেছেন। তাই আমি আল্লাহ ইচ্ছাতে, আল্লাহর জন্য, সরাসরি কুরআন এবং হাদিস থেকে কিছু কথা রাখলাম বাকিটা আল্লাহতালার ইচ্ছা তিনি সকলের অন্তরের মালিক, তিনি চাইলে অন্তর পরিবর্তন করে দিতে পারেন। ♣︎ কুরআনের দৃষ্টিভঙ্গি কুরআনে সরাসরি গান-বাজনা সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট বর্ণনা নেই, তবে কিছু আয়াত থেকে এ বিষয়ে ইঙ্গিত পাওয়া যায়: 1. সুরা লুকমান (৩১:৬): “আর মানুষের মধ্যে কেউ কেউ আছে, যারা অজ্ঞতা বশত আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য ‘লাহওয়াল হাদীস’ (অর্থহীন ও মনোরঞ্জক বিষয়াবলি) ক্রয় করে এবং তা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে। তাদের...

দোয়া - বদ'দোয়া - বদনজর

Image
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: > "দোয়া ব্যতীত অন্য কোনো কিছুই ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারে না এবং সৎকাজ ব্যতীত অন্য কোনো কিছুই হায়াত বাড়াতে পারে না।"  গ্রন্থ: সুনান আত-তিরমিযী হাদিস নম্বর: 2139 ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: > "বদ নজর সত্য; এমনকি যদি কোনো কিছু তাকদীরকে অতিক্রম করতে পারত, তবে বদ নজর তা অতিক্রম করত।"  গ্রন্থ: সহিহ মুসলিম হাদিস নম্বর: 2188 জিন, তাবিজ বা বদ নজরের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য ইসলামিক নির্দেশনায় কিছু আমল এবং দোয়া উল্লেখ করা হয়েছে, যা কুরআন ও হাদিস থেকে প্রমাণিত। এইসব আমল করলে আল্লাহর রহমতে এসব খারাপ প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এখানে দলিলসহ বিস্তারিত তুলে ধরা হলো: তাবিজের প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে করণীয়: 1. তাওবা করা: সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছে তাওবা করতে হবে, কারণ তাবিজের মাধ্যমে শিরক বা ভুল আমল হয়ে থাকতে পারে। তাওবা করলে আল্লাহ তা মাফ করে দেন। দলিল: “তোমরা সবাই আল্লাহর দিকে তাওবা করো, হে মুমিনগণ, যাতে তোমরা সফলকাম হও।” (সুরা নূর: ৩১) 2. তাবিজের ধ্ব...

প্রশংসা করার কুফল ও সঠিক পদ্ধতি

Image
ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, একজন ব্যক্তির সামনে তার ভালো কাজের প্রশংসা করার বিষয়ে কুরআন এবং হাদিসে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে। এ বিষয়ে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে কিছু জানা যাক:      ■            কুরআনের নির্দেশনা 1. আত্মপ্রশংসা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ > "তোমরা নিজেদের প্রশংসা করো না। তিনিই (আল্লাহ) ভালো জানেন কে সত্যিকারের ধার্মিক।" (সুরা আন-নাজম: ৩২) এই আয়াত ইঙ্গিত করে যে আত্মপ্রশংসা বা অন্যকে এমনভাবে প্রশংসা করা যা অহংকার জন্মাতে পারে, তা অনুচিত। 2. নেক আমলের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি > "যে কেউ উত্তম কাজ করে, সে যেন তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই করে।" (সুরা কাহফ: ১১০) প্রশংসা যদি মানুষের অন্তরে অহংকার বা আত্মতৃপ্তি আনতে পারে, তবে এটি নেক আমলের খাঁটি উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে।       ■               হাদিসের শিক্ষা 1. সরাসরি প্রশংসা না করার পরামর্শ  নবী করিম (সা.) বলেছেন: > "তোমরা কারো প্রশংসা করার সময় তার মুখে মাটির মুঠো নিক্ষেপ করো।" (মুসলিম, হাদিস নং: ৩০০২) অর্...

আমাদের নিয়মিত অভ্যাসের অজানা শিরিক গুলো

Image
শি/র/ক করে ফেলছি, অথচ টের পাই না।   যেমন: ১- "ভাগ্যিস, জোরে ধরছিলাম, তা না হলে পড়েই যেতাম!" এখানে শি/র/ক কোথায় হলো?  আমি পড়ে যাই নি, কারণ দুইটা- আমার ভাগ্য আর আমি বা আমার বুদ্ধি। এখানে আল্লাহর কিছুই রাখি নি। এটা কু/ফু/রী/র পর্যায়ে পড়ে যায়।  এই অবস্থায় যা বলতে হতো- আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ রক্ষা করেছেন। তা না হলে পড়েই যেতাম।  ২-" ভাই, বিয়ের সব ব্যবস্থা করে রেখেছি, বাকী আল্লাহ ভরসা। " এটা কেন শি/র/ক হবে?  কারণ আমার ব্যবস্থাপনাকে বড় করে আল্লাহকে বাকীটা দিলাম। এখানে নিজের ব্যাবস্থাপনাকে বড় করা হলো। আর আল্লাহর বিষয়টা শেষে রেখে আল্লাহকে ছোট করা হয়েছে।  এখানে বলা দরকার ছিলো- আল্লাহর ইচ্ছায় ও রহমতে ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু সব কিছুই আল্লাহর ওপর ভরসা / হাওয়ালা করে দিয়েছি।  ৩- "একদম চিন্তা করবেন না, সব কিছু সময় মত ঠিক ঠাক পেয়ে যাবেন।" এখানে শি/র/ক কোথায় হলো?  এখানে ইনশাআল্লাহ না বলায় সব কিছু আমি নিলাম, আল্লাহকে কিছুই দিলাম না।  ৪- "খুব ভালো ডাক্তার। তার এক ডোজ ওষুধ খেয়ে আমি ভালো হয়ে গেছি" এখানে কোথায় শি/র/ক হলো?  এখান...

মুসলমানদের একটাই দল

Image
সংক্ষিপ্ত লেখা; পড়ুন। আমি কোন আলেম(মাদ্রাসা নীতি অনুযায়ী) নয়। তাই আমি কোন নিজস্ব মতের ব্যাখ্যায় যাব না। এই পোস্টটি সাজাতে আমাকে অনেক টেকনোলজি এবং বই-পুস্তক সহ আলেমগণের সাথে অনেক লম্বা যোগাযোগ করা লেগেছে। যেহেতু মানুষকে কুরআন এবং হাদিসের সরাসরি আয়াত থেকে সত্যের দিকে আহ্বান দিতে বলা হয়েছে; আমি তাই চেষ্টা করলাম। কোরআন হাদিসের বানীতে রয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে হেদায়েতের নূর। আমি জামাত ইসলামী নয়, আমি চরমোনা পন্থী নয়, আমি শিবির নই, আমি তবলিগওয়ালাও নই, আমি সুন্নি বুঝিনা, আমি শিয়া চিনি না, আমি আটরশি / কাদিয়ানী কাউকেই চিনিনা-জানিনা আর জানতে চায় না।  আমি পরিষ্কার জানি, আমি ইসলাম ধর্ম অবলম্বনকারী একজন মুসলিম। আমি কলেমাকে স্বীকার করি, আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস করি, নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শেষ নবী এবং শ্রেষ্ঠ নবী হওয়ার সাক্ষ্য দেয়। এবং আমি তারই উম্মত; তারই দলের একজন হিসেবে তার অনুসরণ করি। আমি আল কোরআনুল কারীমকে আল্লাহর নিজের বাণী এবং নির্ভুল ও পরিপূর্ণ আসমানী কিতাব হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাস পোষণ করি। >> এই পর্যন্ত সবকিছু ঠিক রেখে - আমি যা খুশি ত...

বিবাহ আর ইসলামিক জীবনের কল্যাণ ও সাফল্য

Image
মুসলিম হিসেবে বিয়েকে সহজ করুন, নিজে দ্রুত বিয়ে করুন, অন্যের বিয়ের জন্য সাহায্য করুন, বিয়ের প্রতি মানুষকে উৎসাহিত করুন, বিয়ের সামাজিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করুন।  >> ক্ষণস্থায়ী দুনিয়াতে ভবিষ্যতে উচ্চ প্রতিষ্টিত হওয়ার ধোকায় পড়ে নিজের চিরস্থায়ী আখেরাতকে ক্ষতির মধ্যে ফেলবেন না। রিজিক আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে, যার রিযিক সেই নিয়ে আসে। সামাজিক রীতিনীতি আর অজ্ঞ মানুষের কথার ফাঁদে পড়ে শরীয়তের আইন, আল্লাহ ও রাসুলের হুকুমকে পিছনে ফেলে রাখার সুযোগ নেই।                       বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। "স্বামী-স্ত্রী" একমাত্র সম্পর্ক যেটি আল্লাহতালা স্বয়ং উপস্থিত থেকে সূচনা করেন। এটি একমাত্র সম্পর্ক যেটি জান্নাত থেকেই পথ চলা শুরু করে। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে আল্লাহতালা শক্তিশালী নিয়ামত লুকায়িত রেখেছেন। যদি এই সম্পর্ককে কাজে লাগানো সম্ভব হয় তাহলেই এই সম্পর্কের সম্পূর্ণ শক্তি ব্যবহার করা যায়। এটিই পৃথিবীর সমস্ত সম্পর্কের মধ্যে প্রথম সম্পর্ক, আর এই সম্পর্ক থেকেই পরে অন্য সব সম্পর্কের...

আলেম ও এলেম

Image
আলেম কারা? আপনি কাদেরকে আলেম বলেন? কোন দলিলের ভিত্তিতে কেউ নিজেকে বা অপরকে আলেম হিসেবে পরিচয় দেয়? আমাদের জানা আলেম কি শুধু সামাজিক পরিচয়ে আলেম? নাকি ইসলামে বর্ণিত বর্ণনা অনুযায়ী দ্বীনি পরিচয়ে আলেম? 》আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে বর্ণিত আলেমদের পরিচয় জানা যাক《 সকল ব্যক্তি বিশেষের নিজস্ব মতামত ও দাবিকে সম্পূর্ণ আলাদা সরিয়ে রেখে, সরাসরি কোরআন এবং হাদিস থেকে "আলেম" কারা আর কিভাবে আলেম হিসেবে আল্লাহর কাছে কবুল হওয়া সম্ভব সে বিষয়ে আলোচনা করা যাক: ● আমার এই ব্যাপক লেখনিটি প্রতিটি মুসলমানকে তার দ্বীন ইসলামের সাথে নিজের অবস্থান থেকেই সরাসরি নিজের আমলের উপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার যোগ্যতা ও দক্ষতার দলিল দেবে। যে, যে ভাষার হোক; যে, যে শিক্ষায় শিক্ষিত হোক; যে, যে কর্মের হোক; যে, যে বর্ণের হোক; প্রত্যেক মুসলমানকে ইসলামের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কের প্রমাণ দেখাবে এই লেখনি। প্রতিটি মুসলমান তা নিজ অবস্থান থেকে আল্লাহর কাছে সমান এবং দ্বীনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ আল্লাহ তায়ালা সবার জন্য সমান রেখেছেন তা মানুষকে জানাবে। আল্লাহতালার অশেষ হিকমত ছিল এটি যে তিনি নবী করীম সাল্লাল্ল...

ইমাম নির্বাচন করার পদ্ধতি

Image
》আলেম বা হাফেজ না থাকলে, জামাতে নামাজ আদায়ের জন্য ইমাম নির্বাচন করার পদ্ধতি《 জামাতে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে ইমাম নির্বাচন করার সময় শরীয়ত মোতাবেক কিছু শর্ত এবং লক্ষণীয় দিক অনুসরণ করা হয়। যদি উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে আলেম বা হাফেজ থাকেন তাহলে তো নির্দ্বিধায় আলেমকেই ইমামতি করতে দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা শরীয়ত সম্মত। কিন্তু যদি উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে কোনো আলেম বা হাফেজ না থাকেন, তাহলে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করে ইমাম নির্বাচন করা যেতে পারে: ইমাম নির্বাচনের জন্য শর্ত এবং লক্ষণীয় দিক 1. কুরআন তিলাওয়াতের দক্ষতা: যে ব্যক্তি উপস্থিতদের মধ্যে কুরআন শরীফ সবচেয়ে শুদ্ধভাবে পড়তে পারেন এবং কুরআনের সহীহ তিলাওয়াতের জ্ঞান রাখেন, তাকে ইমাম হিসেবে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। যেমন, কুরআনের মাখরাজ, তাজবিদের নিয়ম এবং উচ্চারণ সঠিক হতে হবে। 2. ইসলামি জ্ঞানের গভীরতা: যে ব্যক্তি নামাজের মাসআলা-মাসায়েল সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন, তাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। উদাহরণস্বরূপ, নামাজের ফারায়েজ, সুন্নত এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় সম্পর্কে অবগত থাকা জরুরি। 3. বয়সের প্রাধান্য: যদি কুরআন তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে সক...

শাতেমে রাসূল

Image
》 নবীজিকে নিয়ে কটুক্তি করার শাস্তি হিসেবে হত্যা!! মানুষ হত্যা কি আসলেই শরীয়তের মূলনীতিকে সমর্থন করে?《 প্রশ্ন হল এটি কি কুরআন-হাদিস থেকে প্রমাণিত বা কুরআন হাদিসে কোথাও সরাসরি এমন কোন হুকুম করা আছে কিংবা কোন আদেশ দলিলসহ পাওয়া যাবে কি? আমি এর আগের পোস্টটিতে হাদিসে নবীর সুন্নতের মধ্যে তিনটি ধরনের কথা উল্লেখ করেছে। অনুরোধ করবো আগের পোস্টটি পড়ে তারপর এই পোস্টটি পড়ুন। তাহলে এটুকু বোঝা যাবে কোন হাদিসের উপরে বা কোন কথার উপরে কোন কথার প্রাধান্য বেশি। ইসলামে মানুষ হত্যাকে অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কুরআন ও হাদিসের ভিত্তিতে এ বিষয়ে নিম্নলিখিত দলিলগুলো উল্লেখ করা হলো: >কুরআনের আয়াতসমূহ 1. সূরা আল-মায়েদা (৫:৩২): "যে ব্যক্তি একজন মানুষকে হত্যা করে—অন্য কোনো মানুষকে হত্যা করার শাস্তি হিসেবে বা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করা ছাড়া—সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে হত্যা করল; আর যে ব্যক্তি একজন মানুষের জীবন রক্ষা করে, সে যেন সমগ্র মানবজাতির জীবন রক্ষা করল।" এই আয়াত মানুষের জীবন রক্ষার গুরুত্ব ও মানুষ হত্যার ভয়াবহতা স্পষ্ট করে তুলে ধরে। 2. স...