Posts

ইমাম নির্বাচন করার পদ্ধতি

Image
》আলেম বা হাফেজ না থাকলে, জামাতে নামাজ আদায়ের জন্য ইমাম নির্বাচন করার পদ্ধতি《 জামাতে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে ইমাম নির্বাচন করার সময় শরীয়ত মোতাবেক কিছু শর্ত এবং লক্ষণীয় দিক অনুসরণ করা হয়। যদি উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে আলেম বা হাফেজ থাকেন তাহলে তো নির্দ্বিধায় আলেমকেই ইমামতি করতে দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা শরীয়ত সম্মত। কিন্তু যদি উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে কোনো আলেম বা হাফেজ না থাকেন, তাহলে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করে ইমাম নির্বাচন করা যেতে পারে: ইমাম নির্বাচনের জন্য শর্ত এবং লক্ষণীয় দিক 1. কুরআন তিলাওয়াতের দক্ষতা: যে ব্যক্তি উপস্থিতদের মধ্যে কুরআন শরীফ সবচেয়ে শুদ্ধভাবে পড়তে পারেন এবং কুরআনের সহীহ তিলাওয়াতের জ্ঞান রাখেন, তাকে ইমাম হিসেবে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। যেমন, কুরআনের মাখরাজ, তাজবিদের নিয়ম এবং উচ্চারণ সঠিক হতে হবে। 2. ইসলামি জ্ঞানের গভীরতা: যে ব্যক্তি নামাজের মাসআলা-মাসায়েল সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন, তাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। উদাহরণস্বরূপ, নামাজের ফারায়েজ, সুন্নত এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় সম্পর্কে অবগত থাকা জরুরি। 3. বয়সের প্রাধান্য: যদি কুরআন তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে সক...

শাতেমে রাসূল

Image
》 নবীজিকে নিয়ে কটুক্তি করার শাস্তি হিসেবে হত্যা!! মানুষ হত্যা কি আসলেই শরীয়তের মূলনীতিকে সমর্থন করে?《 প্রশ্ন হল এটি কি কুরআন-হাদিস থেকে প্রমাণিত বা কুরআন হাদিসে কোথাও সরাসরি এমন কোন হুকুম করা আছে কিংবা কোন আদেশ দলিলসহ পাওয়া যাবে কি? আমি এর আগের পোস্টটিতে হাদিসে নবীর সুন্নতের মধ্যে তিনটি ধরনের কথা উল্লেখ করেছে। অনুরোধ করবো আগের পোস্টটি পড়ে তারপর এই পোস্টটি পড়ুন। তাহলে এটুকু বোঝা যাবে কোন হাদিসের উপরে বা কোন কথার উপরে কোন কথার প্রাধান্য বেশি। ইসলামে মানুষ হত্যাকে অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কুরআন ও হাদিসের ভিত্তিতে এ বিষয়ে নিম্নলিখিত দলিলগুলো উল্লেখ করা হলো: >কুরআনের আয়াতসমূহ 1. সূরা আল-মায়েদা (৫:৩২): "যে ব্যক্তি একজন মানুষকে হত্যা করে—অন্য কোনো মানুষকে হত্যা করার শাস্তি হিসেবে বা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করা ছাড়া—সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে হত্যা করল; আর যে ব্যক্তি একজন মানুষের জীবন রক্ষা করে, সে যেন সমগ্র মানবজাতির জীবন রক্ষা করল।" এই আয়াত মানুষের জীবন রক্ষার গুরুত্ব ও মানুষ হত্যার ভয়াবহতা স্পষ্ট করে তুলে ধরে। 2. স...

ইমাম নির্বাচনের পদ্ধতি

Image
》আলেম বা হাফেজ না থাকলে, জামাতে নামাজ আদায়ের জন্য ইমাম নির্বাচন করার পদ্ধতি《 জামাতে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে ইমাম নির্বাচন করার সময় শরীয়ত মোতাবেক কিছু শর্ত এবং লক্ষণীয় দিক অনুসরণ করা হয়। যদি উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে আলেম বা হাফেজ থাকেন তাহলে তো নির্দ্বিধায় আলেমকেই ইমামতি করতে দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা শরীয়ত সম্মত। কিন্তু যদি উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে কোনো আলেম বা হাফেজ না থাকেন, তাহলে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করে ইমাম নির্বাচন করা যেতে পারে: ইমাম নির্বাচনের জন্য শর্ত এবং লক্ষণীয় দিক 1. কুরআন তিলাওয়াতের দক্ষতা: যে ব্যক্তি উপস্থিতদের মধ্যে কুরআন শরীফ সবচেয়ে শুদ্ধভাবে পড়তে পারেন এবং কুরআনের সহীহ তিলাওয়াতের জ্ঞান রাখেন, তাকে ইমাম হিসেবে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। যেমন, কুরআনের মাখরাজ, তাজবিদের নিয়ম এবং উচ্চারণ সঠিক হতে হবে। 2. ইসলামি জ্ঞানের গভীরতা: যে ব্যক্তি নামাজের মাসআলা-মাসায়েল সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন, তাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। উদাহরণস্বরূপ, নামাজের ফারায়েজ, সুন্নত এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় সম্পর্কে অবগত থাকা জরুরি। 3. বয়সের প্রাধান্য: যদি কুরআন তিলাওয়াতের...

সুন্নতের মধ্যে ধরন ও তারতম্য এবং গ্রহণযোগ্যতা

Image
》 সুন্নতের মধ্যে ধরন ও তারতম্য এবং গ্রহণযোগ্যতা《 নবীজিকে নিয়ে কেউ কটুক্তি করলে তাকে হত্যা করা যাবে কি যাবে না? অনেকেরই জানা নেই যে, হাদিসের মধ্যে প্রধানত দুই ধরনের সুন্নত রয়েছে। হাদিসকে ইসলামি শরিয়তে বিভিন্নভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখে বলা কথা এবং কৃতকর্ম - এই দুই ধরনের হাদিসকে আলাদা আলাদা নামে চিহ্নিত করা হয়। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো: ১. কওলি হাদিস (حديث قولي): সংজ্ঞা: নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখে উচ্চারিত বক্তব্য, নির্দেশ, উপদেশ, বা আদেশকে কওলি হাদিস বলা হয়। উদাহরণ: নবী করিম (সাঃ) বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অন্যায় কাজ দেখবে, সে তা হাত দিয়ে পরিবর্তন করবে; যদি না পারে, তবে জিহ্বা দিয়ে বলবে; আর যদি তাও না পারে, তবে অন্তর দিয়ে ঘৃণা করবে, আর এটি হলো ঈমানের সবচেয়ে দুর্বল স্তর।" (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৪৯) ২. ফে’লি হাদিস (حديث فعلي): সংজ্ঞা: নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিজের করা কাজ বা কর্মকে ফে’লি হাদিস বলা হয়। এটি তার দৈনন্দিন জীবনের আচার-আচরণ, ইবাদত-বন্দেগি বা যেকোনো কর্মকাণ্ডের বর্ণন...

সৃষ্টিকর্তার ধর্ম কোনটি? আর এত্ত অন্য ধর্মগুলো কাদের?

Image
সৃষ্টিকর্তা যদি একজনই হবেন তাহলে পৃথিবীতে এত্ত ধর্ম কেনো? আসলেই কি আলাদা আলাদা ধর্মীয় গ্রন্থগুলো আলাদা আলাদা ধর্ম প্রচার করেছে? নাকি একজন সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকেই এক ধর্মের উপরই বিভিন্ন সময়ে আলাদা আলাদা ভাবে এই গ্রন্থগুলো পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে? তাহলে ভিন্ন নামের এত ধর্ম কিভাবে হল? এক সৃষ্টিকর্তা থেকে নাযিলকৃত ধর্মের নাম এতবার কেন পরিবর্তন ঘটল? নাকি ধর্মীয় গ্রন্থ গুলোর উপর মানুষ নিজের মন মত তাদের "ধর্মের নাম" নির্ধারণ করে তা অনুসরণ করেছিল? সৃষ্টিকর্তা নিজে কি তার ধর্মের নাম নির্ধারণ করবেন না? তাহলে এত নামের ধর্মের মধ্যে কোন নামগুলো মানুষের রচিত; আর কোন নামের ধর্মটি আল্লাহর পক্ষ থেকে সত্য নির্ধারিত? চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ধর্মীয় গ্রন্থগুলো পৃথিবীতে নাযিল হওয়ার পর সৃষ্টিকর্তা নিজে কোথাও ধর্মের নাম উল্লেখ করেছিলেন, নাকি মানুষ গ্রন্থগুলো পাওয়ার পর নিজের মত তাদের ধর্মের নাম বানিয়েছিলেন? যদি সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে তার নাযিলকৃত গ্রন্থগুলোতে তার দেওয়া কোন উল্লেখযোগ্য ধর্মের নাম না পাওয়া যায়, তাহলে বুঝে নিতে হবে সৃষ্টিকর্তা ধর্ম আলাদা করেননি বরং ধর্মীয় গ্রন্থগুলো দেওয়ার...

জন্মদিন পালন করা

Image
A birthday wish for a younger sister: "আলহামদুলিল্লাহ" আজকের দিনে তুমি আরো একটি বছর পৃথিবীর বুকে অতিক্রম করে ফেললে। এবং আল্লাহ তা'আলা তোমাকে পৃথিবীর বুকে আর ও একটি নতুন দিন ও বছরের সময় উপভোগ করার তৌফিক দিলেন। সেজন্য আবারো বলি "আলহামদুলিল্লাহ"। পরিবার এবং সম্পর্কের দিক থেকে তোমার অবস্থান এবং উপস্থিতি আমাদের জীবনে কতখানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে তা এভাবে সোশ্যাল সমাজে লেখার অবকাশ থাকে না। নিঃসন্দেহে আল্লাহর পক্ষ থেকে তুমি আমাদের জীবনে অসংখ্য নিয়ামতের মাঝে আরও একটি অন্যতম "উপহার এবং নেয়ামত" স্বরূপ। আল্লাহ তোমাকে নেক হায়াত দান করুক দুনিয়া ও আখেরাতে সম্মানিত করুক। আজকের এই দিনটিতে আনন্দ উল্লাস উদযাপনের থেকেও অধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এটি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা এবং নিজের জীবনের থেকে অতিবাহিত হয়ে যাওয়া একটি বছরের দিকে কিছু সময় ফিরে তাকানো। কেটে যাওয়া গত বছরে কি কি অবদান তুমি সৃষ্টির জন্য করতে পেরেছ, কতটুকু মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রেখেছো, কতটুকু নিজের জন্য সময় দিতে পেরেছ, আর কতটুকু সৃষ্টিকর্তার হক আদায় করতে পেরেছ? তা স্মরণ করা। আর কি কি অপূর্ণতা তো...

ইসলামের বিবাহ এবং বিবাহে অভিভাবকের অধিকার-সীমা

Image
》ইসলামের দৃষ্টিতে বিবাহ《 চলুন ইসলামের দিক থেকে বিবাহ সম্পর্কে কিছু আলোচনা করা যাক কিছু হাদিস ও কোরআনের বাণী সম্পর্কে জানা যাক আর কিছু নবী এবং সাহাবীর জামানার ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কে বোঝার জন্য চেষ্টা করা যাক। দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক সমঝদার স্বাক্ষীর সামনে প্রাপ্তবয়স্ক পাত্র ও পাত্রীর একজন প্রস্তাব দিলে এবং অপরপক্ষ তা গ্রহণ করে নিলে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিবাহ শুদ্ধ হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি কিংবা উপস্থিতি আবশ্যক নয়, তবে যদি মেয়ে গায়রে কুফুতে বিবাহ করে, তথা এমন পাত্রকে বিয়ে করে, যার কারণে মেয়ের পারিবারিক সম্মান বিনষ্ট হয়, তাহলে বাবা সে বিয়ে আদালতের মাধ্যমে ভেঙ্গে দিতে পারে। যদি কুফুতে বিবাহ করে, তাহলে বাবা এ অধিকার পায় না। আল্লামা মুহাম্মাদ ইবনে রুশদ আন্দালুসী রহ. বলেন, اختلف العلماء هل الولاية شرط من شروط صحة النكاح أم ليست بشرط؟ فذهب مالك إلى أنه لا يكون النكاح إلا بولي… وبه قال الشافعي وقال أبو حنيفة وزفر والشعبي والزهري: إذا عقدت المرأة نكاحها بغير ولي وكان كفؤا جاز وفرق داود بين البكر والثيب فقال باشتراط الولي في البكر وعدم اشتراطه في الثيب বিবাহের ক্ষেত্রে অভিভাবক শর্ত কি ...

দোয়াই ইবাদত/ দোয়া নিজেই স্বয়ং এবাদত

Image
》দুআ ও প্রার্থনা《 এটা সর্বজনস্বীকৃত সত্য যে, এই পৃথিবীর সবকিছু আল্লাহ পাকের হুকুমে চলছে। ছোটবড় সব কিছু তার কুদরতি কব্জায় রয়েছে। সুতরাং সকল সমস্যায় তাকে ডাকা এবং সকল প্রয়োজনে তার নিকট দুআ করা একান্ত স্বভাবসিদ্ধ বিষয়। এই জন্য সকল ধর্মে প্রার্থনার বিধান রয়েছে। সবাই আপন আপন প্রয়োজনে সৃষ্টিকর্তার নিকট হাত পাতে। আর ইসলামের দুআর বিষয়টি সবিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ পাক বলেন,  وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ আর তোমাদের প্রতিপালক বলেন, তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিবো। সূরা গাফির ৪০/৬০ অন্য আয়াতে বলেন, قُلْ مَا يَعْبَأُ بِكُمْ رَبِّي لَوْلَا دُعَاؤُكُمْ বলুন, তোমাদের দুআ যদি না থাকতো, তবে আমার রব তোমাদের কোনো পরওয়াই করতেন না। সূরা ফুরকান ২৫/৭৭ এক আয়াতে এসেছে, وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّي فَإِنِّي قَرِيبٌ أُجِيبُ دَعْوَةَ الدَّاعِ إِذَا دَعَانِ হে রাসুল! আমার বান্দা আপনাকে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছে, আপনি বলুন, আমি নিকটেই আছি। যখন সে দুআ করে, আমি তার দুআ শুনি এবং কবুল করি। সূরা ২/১৮৬ প্রয়োজনের সময় দুআ করা এবং আল্লাহ পাকের নিকট সাহায্যে চাওয়া একটি ইবাদত, বরং দুআ হল...

হিন্দুশাস্ত্র ও পুরান মতে মূর্তি পূজার যৌতিকতা

Image
অনেক সময় যথাযথ সঠিক প্রশ্ন এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে তথ্য না জানার কারণে; আমাদের কাছে অন্যান্য ধর্মের অনেক দিক পরিষ্কার ভাবে বোধগম্য হয় না। ফলস্বরূপ অনেক মুসলমান ব্যক্তিই অন্য ধর্মের ব্যাপারেও সঠিক হওয়ার এবং অন্য ধর্ম অবলম্বনকারীদের কোন দোষ বা ভুল না থাকার ব্যাপারে সম্মতি প্রকাশ করার চেষ্টা করেন। সেক্ষেত্রে আমাদের এই জাতীয় বিষয়গুলো নিয়ে যথাসম্ভব পর্যাপ্ত জ্ঞান অর্জন করা আবশ্যক নতুবা কোন মন্তব্যে কিংবা সিদ্ধান্তে যাওয়া নির্বোধের পরিচয় । • হিন্দু শাস্ত্র কিংবা পুরান অনুযায়ী হিন্দু ধর্মগ্রন্থে কি মূর্তি বানানোর ব্যাপারে কোন নির্দেশনা পাওয়া যায় কিংবা মূর্তি পূজা করার ব্যাপারে কোন বৈধতা আছে কিনা? আর যদি এমনটা থেকে থাকে তাহলে কোন সময় থেকে হিন্দু ধর্মে মূর্তি পূজার প্রচলন শুরু হয় এবং কেন? হিন্দু শাস্ত্র এবং পুরাণে মূর্তি পূজা নিয়ে বিভিন্ন দিক এবং দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। হিন্দু ধর্মের বহুমাত্রিক গ্রন্থসমূহে মূর্তি পূজা সম্পর্কে উল্লেখ পাওয়া যায়, তবে এর উৎস, কারণ এবং সময়কাল নিয়ে বিভিন্ন মতবাদ রয়েছে। নিচে এ বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হলো: ১. বেদ এবং মূর্তি পূজা প্রাচীন হ...

ইবলিশ আর শয়তানের মধ্যে সম্পর্ক/পার্থক্য।

Image
》মানুষ - শয়তান এবং ইবলিশের মধ্যকার সম্পর্ক《 শয়তান এবং ইবলিশের মধ্যে সম্পর্ক। দুইটি কি আলাদা আলাদা সত্তা নাকি এদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই? ইবলিশ কেন মানুষের শত্রু হলো? ইবলিশের আগেও কি শয়তানের অস্তিত্ব ছিল? ইবলিশ কার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল? ● মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য: আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেছেন, "আমি জিন ও মানবজাতিকে শুধুমাত্র আমার ইবাদত করার জন্য সৃষ্টি করেছি।" (সুরা যারিয়াত, আয়াত ৫৬)   এ থেকে বোঝা যায়, মানুষের সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর ইবাদত ও তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী জীবনযাপন করা। ● রুহের সৃষ্টি: আল্লাহ তাআলা মানুষের দেহকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাতে তাঁর রুহ ফুঁকে দিয়েছেন। কুরআনে বলা হয়েছে, "অতঃপর আমি তাকে সুসম করি, তাতে রুহ সঞ্চার করি এবং তোমাদেরকে দান করি কর্ণ, চক্ষু ও অন্তঃকরণ।" (সুরা আস-সাজদাহ, আয়াত ৯)   সুতরাং রুহ আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি বিশেষ উপহার, যা মানুষের জীবনীশক্তি ও চেতনার মূল। ● মানুষের ও জ্বিনের স্বাধীন ইচ্ছা ও দায়িত্ব: আল্লাহ তাআলা জ্বীন ও মানুষকে স্বাধীন ইচ্ছা ও বিবেক দিয়েছেন, যাতে তারা সঠিক ও ভুলের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে। এই স্বাধীন ...

》ইসলামে ৪০ সংখ্যার গুরুত্ব ও তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা

Image
》ইসলামের ভিতর চল্লিশ(৪০) সংখ্যার গুরুত্ব《 তাবলীগের চিল্লার সফর গুলো ৪০ দিনের নির্ধারণ করা হয় কেন? ৪০ দিনের সফর নির্ধারণের পিছনে কি সত্যিই ইসলামের দৃষ্টিতে নির্ভরযোগ্য ঘটনা, ইতিহাস, বৈশিষ্ট্য কিংবা উল্লেখযোগ্য দিক রয়েছে নাকি ভিত্তিহীন অমূলক একটা প্রথা? ৪০ সংখ্যার বিশেষত্ব ও গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনার গভীরে যাওয়ার আগে আমাদের পরিষ্কারভাবে জানা দরকার যে, আমাদের প্রশ্নগুলো কি জানার উদ্দেশ্যে করছি? নাকি কিছুই জানিনা তাই শুধু অনুমানের ভিত্তিতে কোন বিষয়ের সমালোচনা করছি। জেনে রাখা প্রয়োজন বলি, ইসলামের ভিতরে শুধুমাত্র ৪০ সংখ্যায় নয় এমন আরো কিছু সংখ্যা রয়েছে যেগুলোর বিশেষ দিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য রয়েছে। যেমন- ৩,৭,৭০ ইত্যাদি। ইসলামে সংখ্যা "৪০" একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকী অর্থ বহন করে। এটি বিভিন্ন ধর্মীয়, ঐতিহাসিক এবং আধ্যাত্মিক ঘটনার সাথে জড়িত। এখানে ৪০ সংখ্যা সম্পর্কিত ইসলামের উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো আলোচনা করা হলো: ১. নবুয়ত লাভের বয়স রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ৪০ বছর বয়সে নবুয়ত লাভ করেন। এই বয়সটি জ্ঞানের পূর্ণতা ও প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। ইসলামের ইতিহা...